আরও পড়ুন
আমার বিয়ে হওয়ার পর একটা ছেলে বাচ্চা হয়েছে। তারপরও স্বামী অন্য একজন মেয়েকে নিয়ে চিন্তা করে। আমার বাচ্চার খোঁজ নেয় না। আমারও খোঁজ নেয় না। এখন আমি দর্জি কাজ করে আমার বাচ্চা এবং আমি চলি। আমি খুব কাজ করে খুব ভালো চলি। আমার বাচ্চাকে লেখাপড়া শেখানো খুব দরকার। আমি যদি আরো ভালো একটা চাকরী করতে পারতাম তাহলে আরো ভালোভাবে চলতাম। ছেলেটাকে মানুষের মত মানুষ করতাম। আমার আগে অনেক কষ্ট হতো কিন্তু এই দর্জি কাজটা করার পর এখন ভালো আছি। আমি আগে ভালো খেতে-পরতে পারতাম না, এখন পারি। আমি আমার ছেলেটাকেও এখন ভালো খেতে দিতে পারি, ভালো জামা কিনে দিতে পারি। তার ছোট ছোট ইচ্ছাগুলোও পূরন করতে পারি। বয়স – ১৭