আরও পড়ুন
আজ আমার জীবনে নতুন এক ঝড় নেমে আসল। এটা এক কাল বৈশাখীর মতো। আমি কখনো আশা করি নাই। এমনটা হবে। আজ সকালে রান্না করবো, তাতে আমার বড় শাশরি এসে বললো কে বউমা ভাতের এতো মারি সাটেন। তখন আমি বললাম এখনে জলমারি সবে আছে এই কথা শুনে আমার নিজের শাশরি নানান ধরনের কথা বলে উঠলো। আমি বললাম যে মারি না সাটলে যে ভাত নেটকা হয়। আমি যে পাইনা। তাতো নানান কথা। তখন আমি বললাম যে ভাবে পারি সেভাবেই রাধি। তখন আমার মায়ের শাশরি বলিল যে যদি গু রাধবেন, গু খাবে নাকি। তখন আরো কথা বারলো। দুই বড় শাশরি একটু মুখ বাঝা বাঝি হলো। এরি মধদে আমার শশুর এসে তার বউকে একটা হুসি দিলো এবং বললো এতো চিললাশ কেন। তারপরে আমাকে নানান গালি শুরু করলো। আমি যে এতো করে বলতেছি যে আমি পারি না। একদিন আছি দেখে দেন তাও তো দেখে দেন না শুধু বলেন। এই কথার থাকি বললো তুই আজ থেকে আমার সঙ্গে কথা বলিশ না। এবং কি ভাত রাধলে আমি খাবো না। এতো হাত ধরছি তাতো খায় নাই। এই অবস্থায় আমি কি করবো। তখন এমনি হয়েছিলো যে আমি যদি বিশ পাইতাম তাহলে সেটায় খাইতাম তার পরেও শাশরির মন এবং শশুরের পাইলাম না। যদি নিজের জন্ম দাতা মাতা-পিতা হইলো হয়। তাহলে এমনটা হলো না হয়। আমার শশুর যদি আমার হাতে খাইলো তাহলে শাশরি কেন খাবে না। শুনেছি বড় শাশরির সাতে এমন করি ঝালা খাইছে আমার সঙ্গে খাইতেছে। আমার মরন হয় না কেন এদের হাত থাকি আমি রক্ষা পাইতাম। মনের দুঃখ গুলো শেষ হতো। অশ্রু দিয়ে লেখা এই কথা গুলো। যতো দিন মরবো না ততোই দিন কষ্ট ছাড়বে না আমার পিছু।